এই বছরের নতুন মধু রিস্টোর হয়েছে


এটা প্রাকৃতিক চাকের মধু। প্রাকৃতিক চাকের মধুর রং কিছুটা হলদে বা সোনালী রঙের হয়ে থাকে। খেতে খুবই লাইট একটা টেস্ট পাওয়া যায়। ঘনত্ব কিছুটা পাতলা হয়ে থাকে তবে বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চাষের মধুতে যে ঝাঁঝালো টেস্ট থাকে এটাতে তেমন ঝাঁঝালো টেস্ট পাবেন না, কারন এটা একেবারেই ন্যাচারাল বলে এর স্বচ্ছতা এবং টেস্ট খুবই লাইট ।
মধু একটি প্রাকৃতিক খাদ্য যা বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা প্রদান করে। এটি শক্তি বৃদ্ধি করে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে এবং ত্বক ও চুলের জন্য উপকারী। এছাড়াও, মধু মানসিক চাপ কমায়, অনিদ্রা দূর করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
শিশুদের ক্ষেত্রে বলা হয় ন্যাচারাল সুইটস খাওয়ানোর জন্য যাতে শিশুর মস্তিষ্কের বিস্তৃতি ঘটে। অন্যদিকে কৃত্রিম সুইটস সবার জন্য ই ক্ষতিকর। তাই প্রাকৃতিক মধু খাওয়া টা উত্তম চিকিৎসকের মতে।
মধু হল এক প্রকারের উচ্চ ঔষধি গুণসম্পন্ন মিষ্টি ও ঘন তরল পদার্থ, যা মৌমাছি ও অন্যান্য পতঙ্গ ফুলের নির্যাস হতে তৈরি করে এবং মৌচাকে সংরক্ষণ করে। আয়ুর্বেদ এবং ইউনানি চিকিৎসা শাস্ত্রে মধুকে বলা হয় মহৌষধ। প্রাচীনকাল থেকেই ‘পুষ্টিকর ও শক্তিবর্ধক’ হিসেবে বিভিন্নভাবে সব দেশের সব পর্যায়ের মানুষ মধু গ্রহণ করে আসছে। প্রথমে আমরা জেনে নিই মধুর খাদ্য সমূহ: পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫-১২ শতাংশ মন্টোজ থাকে। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি। আরো থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো এসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ ভাগ এনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। মধুর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন বি১, বি২, বি৩, বি৫, বি৬, আয়োডিন, জিংক ও কপার সহ অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান যা আমাদের শুধুমাত্র দেহের বাহ্যিক দিকের জন্যই নয়, দেহের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ প্রত্যঙ্গের সুরক্ষায় কাজ করে।
Reviews
There are no reviews yet.